বিষয়বস্তুতে চলুন

আমস্টারডাম

আমস্টারডাম
শহর ও পৌরসভা
আমস্টারডামের পতাকা
পতাকা
আমস্টারডামের প্রতীক
প্রতীক
ডাকনাম: Mokum, Venice of the North
নীতিবাক্য: Heldhaftig, Vastberaden, Barmhartig (Valiant, Steadfast, Compassionate)
Highlighted position of Amsterdam in a municipal map of North Holland
Location in North Holland
স্থানাঙ্ক: ৫২°২২′ উত্তর ৪°৫৪′ পূর্ব / ৫২.৩৬৭° উত্তর ৪.৯০০° পূর্ব / 52.367; 4.900
দেশImage নেদারল্যান্ডস
Provinceউত্তর হল্যান্ড
বরোসমূহ
সরকার[]
  শাসকMunicipal council
  MayorEberhard van der Laan (PvdA)
আয়তন[][]
  Municipality২১৯.৩২ বর্গকিমি (৮৪.৬৮ বর্গমাইল)
  স্থলভাগ১৬৫.৭৬ বর্গকিমি (৬৪.০০ বর্গমাইল)
  জলভাগ৫৩.৫৬ বর্গকিমি (২০.৬৮ বর্গমাইল)
  Randstad৩,০৪৩ বর্গকিমি (১,১৭৫ বর্গমাইল)
উচ্চতা[] মিটার (৭ ফুট)
জনসংখ্যা
  জনঘনত্ব৪,৯০৮/বর্গকিমি (১২,৭১০/বর্গমাইল)
  পৌর এলাকা১১,১২,১৬৫
  মহানগর১৫,৭৫,২৬৩
  Randstad৬৯,৭৯,৫০০
বিশেষণAmsterdammer
সময় অঞ্চলসিইটি (ইউটিসি+০১:০০)
  গ্রীষ্মকালীন (দিসস)সিইটি (ইউটিসি+০২:০০)
Postcode1000–1109
Area code020
ওয়েবসাইটwww.amsterdam.nl

অ্যামস্টারডাম (ওলন্দাজ: [ˌɑmstərˈdɑm] (শুনুন) আম্‌স্ট্যল্‌ ডাম্‌ অর্থাৎ "আমস্টেল নদীর বাঁধ")[] নেদারল্যান্ডসের রাজধানী ও অন্যতম প্রধান শহর। এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান বন্দর, ও বাণিজ্যকেন্দ্র। রাজধানী হলেও নেদারল্যান্ডস সরকারের মূলকেন্দ্র এখানে নয়, হেগ শহরে। দ্বাদশ শতকের শেষের দিকে একটি ছোট মাছ ধরার গ্রাম হিসেবে আবির্ভূত হয়ে,সপ্তদশ শতাব্দীতে ডাচ গোল্ডেন এজ-এর সময় আমস্টারডাম পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বন্দরগুলির মধ্যে একটি হয়ে ওঠে, যার ফলে ব্যবসাতে তার উদ্ভাবনী উন্নয়ন ঘটে। সেই সময়, নগদ অর্থ এবং হীরক বাণিজ্যের জন্য প্রধান কেন্দ্র ছিল এই শহর[]। উনবিংশ এবং বিংশ শতাব্দীতে শহরটি বিস্তৃত হয়, এবং অনেক নতুন আশেপাশের এলাকা এবং শহরতলির পরিকল্পনা এবং নির্মাণ করা হয়। সপ্তদশ শতাব্দীতে নির্মিত আমস্টারডামের খালসমূহ এবং উনবিংশ শতকের স্থাপত্য স্টিলিং ভ্যান আমস্টারডাম প্রতিরক্ষা লাইন অফ আমস্টারডাম] ইউনেস্কো-র পৃথিবীর ঐতিহ্যবাহী স্থান-সমূহের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ১৯২১ সালে, আমস্টারডাম পৌরসভা কর্তৃক স্লটন পৌরসভার অধিগ্রহণের পর থেকে শহরটির প্রাচীনতম ঐতিহাসিক অংশ স্লটেন যা নবম শতাব্দীতে নির্মিত। নেদারল্যান্ডের বাণিজ্যিক রাজধানী এবং ইউরোপের শীর্ষ আর্থিক কেন্দ্রগুলির একটি হিসাবে, গ্লোবালাইজেশন এবং ওয়ার্ল্ড সিটিস রিসার্চ নেটওয়ার্ক গ্লোবালাইজেশন এবং ওয়ার্ল্ড সিটিস গবেষণা গ্রুপ দ্বারা নেদারল্যান্ডস্কে (আলফা গ্লোবাল সিটি-র মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। শহরটি নেদারল্যান্ডের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে বিবেচিত হয়। []। অনেক বড় ওলন্দাজ প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তর রয়েছে এখানে এবং ফিলিপ্স, অজো নবেল, টমটম এবং ING সহ বিশ্বব্যাপী ৫০০টি বৃহত্তম সংস্থাগুলির মধ্যে সাতটি সংস্থার প্রধান কেন্দ্র এখানে[]। এছাড়াও, অনেক প্রথম সারির প্রযুক্তি কোম্পানীর ইউরোপীয় সদর দপ্তর আছে আমস্টারডামে যেমন উবার, নেটফ্লিক্স এবং টেসলা, ইক। টেসলা[]। ২০১২ সালে, ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট দ্বারা বসবাসের জন্য আমস্টারডামকে দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ শহরের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে[১০] এবং মার্কার দ্বারা পরিবেশ এবং পরিকাঠামোর জন্য জীবনযাপনের মানের বিচারে আমস্টারডামকে দ্বাদশ শ্রেষ্ঠ শহরের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে [১১] The city was ranked 3rd in innovation by Australian innovation agency 2thinknow in their Innovation Cities Index 2009.[১২]। বর্তমান সময়ের হিসেবে, পোর্ট অফ আমস্টারডাম দেশে দ্বিতীয় এবং ইউরোপের পঞ্চম বৃহত্তম বন্দর [১৩]। বিখ্যাত অ্যামস্টারডাম বাসিন্দাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যানে ফ্রাঙ্কের ডায়রি খ্যাত ডায়রিস্ট অ্যানে ফ্রাঙ্ক, শিল্পী রেমব্র্যান্ড্ট ভ্যান রিজান এবং ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ এবং দার্শনিক বারুচ স্পিনোজা

আমস্টারডাম স্টক এক্সচেঞ্জ, বিশ্বের প্রাচীনতম স্টক এক্সচেঞ্জ, শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। অন্যান্য আমস্টারডামের প্রধান আকর্ষণসমূহের তালিকা-র মধ্যে রয়েছে, আমস্টারডামের খালসমূহ, রিজক্সামুয়েসিয়াম, ভ্যান গঘ যাদুঘর, স্টেডিলিখ যাদুঘর আমস্টারডাম | স্টেডিলিযক জাদুঘর, হেরিটেজ আমস্টারডাম, অ্যান ফ্রাঙ্ক হাউস, আমস্টারডাম মিউজিয়াম, তার রেডলাইট জেলা। প্রতি বছর প্রায় ৫ মিলিয়ন আন্তর্জাতিক পর্যটক আমস্টারডাম ভ্রমণ করেন[১৪]।শহরটি তার নৈশজীবন এবং উৎসব কার্যকলাপের জন্য সুপরিচিত; তার নাইটক্লাবগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি, যেমন (মেলকইগ, প্যারাডিসো) বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত নাইটক্লাবগুলির মধ্যে অন্যতম। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বহুজাতিক শহরগুলির মধ্যে অন্যতম, যেখানে কমপক্ষে ১৭৭টি জাতীয়তার মানুষের প্রতিনিধিত্ব রয়েছে[১৫]

নামকরণের ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১১৭০ এবং ১১৭৩ সালের বন্যার পরে, অ্যাম্‌স্ট্যল্‌ নদীর কাছাকাছি বসবাসকারী স্থানীয় বাসিনদারা নদী উপর একটি সেতু এবং নদীতে একটি বাঁধ নির্মাণ করেন, যার নাম থেকে গ্রামের নাম হয়: "অ্যাম্‌স্ট্যল্‌ ডাম্‌"। ১২৭৫ সালের ১২ই অক্টোবর,এই নামটির লিখিত অস্তিত্বের প্রথম তথ্য পাওয়া যায় একটি দলিল থেকে, যা গ্রামের বাসিন্দাদের কাউন্ট ফ্লোরিস ভি কর্তৃক সেতুতে প্রদেয় কর পরিশোধ করতে ছাড়ের অনুমতি দেয়। এর ফলে অ্যাম্‌স্ট্যল্‌ড্যাম্‌ গ্রামের বাসিন্দারা কাউন্টি অফ হল্যান্ড-এর মধ্যে অবাধে ভ্রমণ করার অনুমতি দেওয়া হয় যাতে তারা যে কোন সেতু, রাস্তা এবং বাঁধের উপর দিয়ে কোনও টোল ছাড়াই যাতায়াত করতে পারেন। এই শংসাপত্রটিতে বাসিন্দাদেরকে 'হেনিনেস ম্যানেন্টেস অ্যাড অ্যাম্‌স্ট্যল্‌ড্যাম্‌' (অ্যাম্‌স্ট্যল্‌ড্যাম্‌-এর কাছাকাছি বসবাসকারী মানুষ) বর্ণনা করা হয়েছে[১৬]। ১৩২৭ সালের মধ্যে নামটি পরিবর্তিত হয়ে বর্তমান নামের রূপ ধারণ করে অর্থাৎ "আমস্টারডাম" বা "অ্যামস্টারড্যাম"।

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

স্থাপনা এবং মধ্যযুগ

[সম্পাদনা]
Image
দ্য ঔডে কারক,১৩০৬ সালে নির্মিত

আমস্টারডাম শহরটি অন্যান্য ওলন্দাজ শহরগুলি যেমন নিজেইজেন, রটারডাম, এবং উট্রেচ্ট চেয়ে অনেক নবীন। ২০০৮ সালের অক্টোবরে, ঐতিহাসিক ভূগোলবিদ ক্রিস ডি বন্ট ধারণা দেন যে যদিও দশম শতকের শেষের দিকে আমস্টারডামের আশেপাশে জমি পুনরুদ্ধার করা হতো বলে প্রমাণ পাওয়া যায়, কিন্তু তার অবশ্যম্ভাবী মানে এই নয় যে, ইতিমধ্যেই সেখানে একটি বসতি স্থাপিত হয়েছিল, কারণ ভূমি পুনঃনির্ধারণ চাষের জন্য নাও হতে পারে- এটি জ্বালানি (পিট) হিসেবে ব্যবহারের জন্যও হতে পারে[১৭]। ১৩০০ বা ১৩০৬ সালের মধ্যে আমস্টারডামকে শহরের অধিকার প্রদান করা হয়েছিল বলে জানা যায়[১৮]

ভূপ্রকৃতি

[সম্পাদনা]

ভৌগোলিক অবস্থান

[সম্পাদনা]

আমস্টারডাম পশ্চিম নেদারল্যান্ডসের উত্তর হল্যান্ড প্রদেশে অবস্থিত, যদিও এটি উত্তর হল্যান্ডর রাজধানী নয়(উত্তর হল্যান্ডের রাজধানী হারলেম)। শহরের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে, আমস্টেল নদী শহরের কেন্দ্রে শেষ হয় এবং অনেকগুলি খালের সাথে সংযুক্ত হয় যা শেষ পর্যন্ত আই.জে. আমস্টারডামে গিয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২ মিটার (6.6 ফুট) নিচে গিয়ে মিলিত হয়।আশেপাশের অঞ্চলের জমি সমতল, একটি বড় পন্ডারের রূপে। আমস্টারডম বোস, শহরের দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থিত একটি মনুষ্যসৃষ্ট বনভূমি। আমস্টারডাম দীর্ঘ উত্তর সাগর খাল-এর মাধ্যমে উত্তর সাগর-এর সাথে সংযুক্ত হয়। আমস্টারডাম শহর গভীরভাবে নগরীকৃত, যেমন শহরের চারপাশে অবস্থিত আমস্টারডাম মেট্রোপলিটান এলাকা। ২১৯.৪ বর্গ কিলোমিটার (৮৪.৭ বর্গমাইল) জমি অধিকৃত শহরটিতে জনঘনত্ব ৪,৪৫৭ জন প্রতি বর্গকিলোমিটারে এবং ২২৭৫টি বাড়ি রয়েছে প্রতি বর্গকিলোমিটারে। পার্ক,উদ্যান এবং বনভূমি আমস্টারডামের ভূখণ্ডের ১২% অংশ অধিগ্রহণ করে।

জলসম্পদ

[সম্পাদনা]
Image
২০১০-এর শরতকালের চিত্র

আমস্টারডামের ১০০কিলোমিটার (৬০ মাইল)-এরো বেশি খাল রয়েছে, যা বেশিরভাগই জলযানের জন্যে নাব্য। শহরটির তিনটি প্রধান খালগুলি হল প্রিন্সগ্রেচ, হেইঞ্জ্রাচট, এবং কেইসাসগ্রেচ।

মধ্যযুগের আমস্টারডাম একটি ঘাট দ্বারা বেষ্টিত ছিল, যা সিঙ্গেল নামে পরিচিত; বর্তমানে এই ঘাটটি শহরের ভিতরে একটি আংটি আকৃতির গঠন তৈরি করে এবং শহরেরে সিটি সেন্টারকে একটি অশ্বখুর আকৃতি প্রদান করে। এছাড়াও শহরে রয়েছে একটি সমুদ্র বন্দর। কোন কোন ভৌগোলিক এই শহরকে ভেনিসের সাথে তুলনা করেন শহর জুড়ে ছড়িয়ে থাকা ১২০০ সেতু দ্বারা যুক্ত হওয়া ৯০টি দ্বীপের কারণে[১৯]

জলবায়ু

[সম্পাদনা]
Image
২০১০ সালের শীত মৌসুমে আমস্টারডাম।

আমস্টারডামের জলবায়ু মূলত একটি সামুদ্রিক জলবায়ু (কপেন জলবায়ু শ্রেণিবিন্যাস সিএফবি ) যা নিকটবর্তী উত্তর সাগরের দ্বারা প্রভাবিত হয়; প্রধান বৈশিষ্ট্য হল যা পশ্চিমাঞ্চলীয় জোরালো বাতাসের উপস্থিতি। সাধারণত এখানকার আবহাওয়া কাছাকাছি অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বেশ নাতিশিতোষ্ণ, তবে কখনও কখনও শীতকালে খুব ঠান্ডা পড়ে এবং মাঝে সাঝে গরমকালো অতিরিক্ত উষ্ণ হয়। আমস্টারডাম এবং উত্তর হোল্যান্ড প্রদেশের অধিকাংশই ইউনাইটেড স্টেটস ডিপার্টমেন্ট অফ এগ্রিকালচারি। ইউএসডিএ হার্ডিঞ্জ জোন ৮বি।প্রধানত ইস্টার ইউরোপীয় মহাদেশ থেকে পূর্ব বা উত্তরপূর্বে বাতাসের আগমনের কারণে তুষারপাত ঘটে। কিন্তু আমস্টারডাম তিনটি দিকেই জলসীমা দ্বারা আবদ্ধ হওয়ার কারণে, এবং পাশাপাশি একটি উল্লেখযোগ্য তাপ-দ্বীপের প্রভাব থাকার সাথে সাথে রাত্রিতে খুব কমই তাপমাত্রা −৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (২৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) যেতে পারে , যেখানে কিনা সহজেই ২৫ কিলোমিটার (১৬ মাইল) দক্ষিণ-পূর্ব দিকে নিকটবর্তী হিলভারসামে আবহাওয়া −১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস (১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট) পর্যন্ত হতে পারে।

গ্রীষ্ম প্রতি মাসে বেশ কয়েকটি উষ্ণ দিনসহ মাঝারিভাবে গরম হয়। আগস্ট গড় দৈনিক উষ্ণতা হয় ২২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৭১.৮ ডিগ্রি ফারেনহাইট) এবং ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৮৬ ডিগ্রি ফারেনহাইট) বা উচ্চতর হয় মাত্র 2.5 গড়ে আড়াই দিন এই কারণ এই শহর এএইচএস তাপ জোন ২ এর অন্তর্গত। সর্বনিম্ন থেকে সর্বউচ্চ তাপমাত্রার পরিসর −১৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৪.৩ ডিগ্রি ফারেনহাইট) থেকে ৩৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস (৯৪.১ ডিগ্রি ফারেনহাইট).[২০]

গড়ে ১ মিলিমিটার (০.০৪ ইঞ্চি) এর চেয়েও বেশি বৃষ্টিপাত-এর দিন খুবই সাধারণ, গড়ে প্রতি বছর প্রায় ১৩৩ দিন। আমস্টারডাম এর গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাত হয় ৮৩৮ মিলিমিটার (৩৩ ইঞ্চি),[২১] এই বৃষ্টির একটি বড় অংশ হালকা বৃষ্টি বা সংক্ষিপ্ত ঝিরঝিরি বৃষ্টি হিসাবে পড়ে। অক্টোবর মাসের মাঝামাঝি থেকে মারচের শীতল মাসগুলোতে মেঘলা এবং স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া দেখা যায়।

Amsterdam Airport Schiphol-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ রেকর্ড °সে (°ফা) ১৪.০
(৫৭.২)
১৬.৬
(৬১.৯)
২৪.১
(৭৫.৪)
২৮.০
(৮২.৪)
৩১.৫
(৮৮.৭)
৩৩.২
(৯১.৮)
৩৩.৭
(৯২.৭)
৩৪.৫
(৯৪.১)
৩১.০
(৮৭.৮)
২৫.৩
(৭৭.৫)
১৮.২
(৬৪.৮)
১৫.৫
(৫৯.৯)
৩৪.৫
(৯৪.১)
সর্বোচ্চ গড় °সে (°ফা) ৫.৮
(৪২.৪)
৬.৩
(৪৩.৩)
৯.৬
(৪৯.৩)
১৩.৫
(৫৬.৩)
১৭.৪
(৬৩.৩)
১৯.৭
(৬৭.৫)
২২.০
(৭১.৬)
২২.১
(৭১.৮)
১৮.৮
(৬৫.৮)
১৪.৫
(৫৮.১)
৯.৭
(৪৯.৫)
৬.৪
(৪৩.৫)
১৩.৮
(৫৬.৯)
দৈনিক গড় °সে (°ফা) ৩.৪
(৩৮.১)
৩.৫
(৩৮.৩)
৬.১
(৪৩.০)
৯.১
(৪৮.৪)
১২.৯
(৫৫.২)
১৫.৪
(৫৯.৭)
১৭.৬
(৬৩.৭)
১৭.৫
(৬৩.৫)
১৪.৭
(৫৮.৫)
১১.০
(৫১.৮)
৭.১
(৪৪.৮)
৪.০
(৩৯.২)
১০.২
(৫০.৩)
সর্বনিম্ন গড় °সে (°ফা) ০.৮
(৩৩.৪)
০.৫
(৩২.৯)
২.৬
(৩৬.৭)
৪.৬
(৪০.৩)
৮.২
(৪৬.৮)
১০.৮
(৫১.৪)
১৩.০
(৫৫.৪)
১২.৮
(৫৫.০)
১০.৬
(৫১.১)
৭.৫
(৪৫.৫)
৪.২
(৩৯.৬)
১.৫
(৩৪.৭)
৬.৪
(৪৩.৬)
সর্বনিম্ন রেকর্ড °সে (°ফা) −১৫.৪
(৪.৩)
−১৫.০
(৫.০)
−১১.১
(১২.০)
−৪.৭
(২৩.৫)
−১.১
(৩০.০)
২.৩
(৩৬.১)
৫.০
(৪১.০)
৫.০
(৪১.০)
২.০
(৩৫.৬)
−৩.৪
(২৫.৯)
−৬.৯
(১৯.৬)
−১৪.৮
(৫.৪)
−১৫.৪
(৪.৩)
অধঃক্ষেপণের গড় মিমি (ইঞ্চি) ৬৬.৬
(২.৬২)
৫০.৬
(১.৯৯)
৬০.৬
(২.৩৯)
৪০.৯
(১.৬১)
৫৫.৬
(২.১৯)
৬৬.০
(২.৬০)
৭৬.৫
(৩.০১)
৮৫.৯
(৩.৩৮)
৮২.৪
(৩.২৪)
৮৯.৬
(৩.৫৩)
৮৭.২
(৩.৪৩)
৭৬.৩
(৩.০০)
৮৩৮.২
(৩৩.০০)
অধঃক্ষেপণ দিনগুলির গড় (≥ ১ mm) ১২ ১০ ১১ ১০ ১০ ১০ ১০ ১২ ১৩ ১৩ ১৩ ১৩২
তুষারময় দিনগুলির গড় ২৬
আপেক্ষিক আদ্রতার গড় (%) ৮৮ ৮৬ ৮৩ ৭৮ ৭৬ ৭৮ ৭৯ ৮০ ৮৩ ৮৬ ৮৯ ৯০ ৮৩
মাসিক সূর্যালোক ঘণ্টার গড় ৬৩.২ ৮৭.৫ ১২৬.৩ ১৮২.৭ ২২১.৯ ২০৫.৭ ২১৭.০ ১৯৭.০ ১৩৯.৪ ১০৯.১ ৬১.৭ ৫০.৫ ১,৬৬২
উৎস ১: Royal Netherlands Meteorological Institute (1981–2010 normals, snowy days normals for 1971–2000)[২২]
উৎস ২: Royal Netherlands Meteorological Institute (1971–2000 extremes)[২৩]

জনসংখ্যার উপাত্ত

[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক জনমিতি

[সম্পাদনা]

কাউন্টি অফ হল্যান্ড-এর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলি যেমন ডরদ্রেচট, লিডেন, হারেলম, ডেলফ্ট এবং আল্কমার ইত্যাদির তুলনায় আমস্টারডাম অপেক্ষাকৃত তরুণ শহর। আমস্টারডামের জনসংখ্যা পঞ্চদশ এবং ষোড়শ শতকের প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয় যা অন্যান্য উপরিউক্ত শহরগুলির জনসংখ্যা পরিবর্তনের বিপরীত অভিমুখী। মূলত ডাচ-হেনসিটি যুদ্ধে বারগেন্ডিয়ান বিজয়ের পরে লাভজনক বাল্টিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের উত্থানের কারণেই এই বৃদ্ধি বলে অনুমান করা হয়। তবুও, আমস্টারডাম এবং হল্যান্ডের অন্যান্য শহরে জনসংখ্যা তুলনামূলক কম, ফ্ল্যান্ডার্স এবং ব্র্যাব্যানের শহরগুলির তুলনায় খুব কম ছিল, যা নিম্ন দেশগুলির সর্বাধিক নগরীকৃত এলাকার অন্তর্ভুক্ত ছিল।
নেদারল্যান্ডসে ডাচ বিদ্রোহ-এর সময় বিশেষত ১৫৮৫ সালে স্প্যানিশ বাহিনী এন্টওয়ার্পের পতনের পরে, দক্ষিণ নেদারল্যান্ড থেকে বহু লোক লোক উত্তর দিকে পালিয়ে গেলে, এখানে জনমিতির পরিবর্তন হতে শুরু করে। তিরিশ বছরে, আমস্টারডামের জনসংখ্যার ১৫৯০ সালের ৪১,৩৬২জন থেকে দ্বিগুণের থেকেও বেশি হয়ে দাঁড়ায় ১৬২০ সালে ১০৬,৫০০ জনে । ১৬৬০-এর দশকে আমস্টারডামের জনসংখ্যা হয়ে যায় ২ লাখ ২১ হাজার। ধীরে ধীরে শহরটির জনসংখ্যার প্রবৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং অষ্টাদশ শতকের অধিকাংশ সময়ে জনসংখ্যা প্রায় ২৪০,০০০র কাছাকাছি স্থিতিশীল হয়।অষ্টাদশ শতকের শেষ দিকে, আমস্টারডাম ইউরোপের চতুর্থ বৃহত্তম শহর ছিল, কনস্টান্টিনোপল (প্রায় ৭০০,০০০), লন্ডন (৫৫০,০০০) এবং প্যারিস (৫৩০,০০০) এর পিছনে। এই তথ্যটি আরও চমকপ্রদ এই কারণে যে আমস্টারডাম ডাচ প্রজাতন্ত্রের রাজধানী শহর ছিল না। উল্লেখ্য যে, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স বা অটোমান সাম্রাজ্যের তুলনায় ডাচ প্রজাতন্ত্র নিজেই অনেক ছোট একটি রাষ্ট্র ছিল। এছাড়াও উপরের অন্যান্য শহরগুলির তুলনায় আমস্টারডামের কাছাকাছি আরো অনেক বৃহৎ শহর ছিল যেমন লিডেন (প্রায় ৬৭,০০০), রটারডাম (৪৫,০০০), হারেলম (৩৮,০০০) এবং উট্রেচ (৩০,০০০)[২৫]
অষ্টাদশ শতকের শেষের দিকে এবং উনবিংশ শতকের প্রথম দিকে, ১৮২০ সালে শহরটির জনসংখ্যা ২ লাখের নিচে নেমে আসে। উনবিংশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, পুনরায় শিল্পায়নের ফলে নতুন করে জন্সংখ্যার বৃদ্ধি ঘটে। আমস্টারডামের জনসংখ্যা ১৯৫৯ সালে ৪২৭,০০০-এর সর্বকালের সর্বোচ্চ উচ্চতায় উপনীত হয়, তথাকথিত গ্রীকনিকেন (প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র) যেমন পুর্মমেইন্ড এবং আলমেই-এর মতো সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার সাববার্গেশনের কারণে পরবর্তী কয়েক দশকে হ্রাস হওয়ার আগে। ১৯৭০ এবং ১৯৮০ এর মাঝামাঝি, আমস্টারডামের নিখুঁত জনসংখ্যা নির্ণয়ের অভিজ্ঞতা হয়েছিল, এবং ১৯৮৫ সাল নাগাদ শহরের মাত্র ৬৭৫,৫৭০ জন বাসিন্দা ছিল। পৌর বিভাগের গবেষণা, তথ্য এবং পরিসংখ্যানে উপবিভাগ ২০২০ সালে একটি নতুন রেকর্ড জনসংখ্যার আশা করছে[২৬]

অভিবাসন

[সম্পাদনা]
আমস্টারডাম শহর (২০১৭)
বংশোদ্ভবের দেশ অনুযায়ী (দ্বিতীয় প্রজন্মের অভিবাসীদের ধরে)[২৭]
উৎস দেশজনসংখ্যা
নেদারল্যান্ডস নেদারল্যান্ড৪০১,২৬০ (৪৭.৪৯%)
মরক্কো মরক্কো৭৫,৭৫৮ (৮.৯৭%)
সুরিনাম সুরিনাম৬৫,৪৬৮ (৭.৭৫%)
তুরস্ক তুর্কি৪৩,১৬৮ (৫.১১%)
ইন্দোনেশিয়া ইন্দোনেশিয়া২৫,২৫২ (৩.০২%)
জার্মানি জার্মানি১৮,৪৪৫ (২.১৮%)
যুক্তরাজ্য ইউনাইটেড কিংডম১২,৬৭০ (১.৫০%)
নেদারল্যান্ডস ডাচ ক্যারিবিয়ান১২,২৮৮ (১.৪৫%)
ঘানা ঘানা১২,১৩৩ (১.৪৪%)
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইউনাইটেড স্টেটস৯,১০৮ (১.০৮%)
ইতালি ইতালি৮,৫৫৩ (১.০১%)
Other160,574 (19.00%)

ষোড়শ এবং সপ্তদশ শতাব্দীতে আমস্টারডামে বেশিরভাগ অ-ডাচ অভিবাসীরাই ছিল হুগেনোট, ফ্লেমিং, সাইফারদি ইহুদি এবং ওয়েস্টফেলিয়া। হুগেনটসরা ১৬৮৫ খ্রিষ্টাব্দে ফোর্টেনিলেউ এর ফ্লিক্স পরে এসেছিলেন আর ফ্লেমিশ প্রটেস্ট্যান্টরা আশি বছরের যুদ্ধ-এর সময়ে আসেন। ওয়েস্টফালিয়ানরা অর্থনৈতিক কারণেই মূলত আমস্টারডামে আসেন -অষ্টাদশ এবং উনবিংশ শতাব্দীর মধ্য এই ধারা অব্যাহত থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আগে, শহর জনসংখ্যার 10% ছিল ইহুদি, যাদের মধ্যে মাত্র কুড়ি শতাংশই নাৎসিদের ইহুদি নিধন হত্যাকাণ্ড-এর পরে বেঁচে ছিল। বিংশ শতাব্দীতে প্রথম গণ অভিবাসন ঘটে যখন ইন্দোনেশিয়ান জাতিগোষ্ঠীর মানুষজন ডাচ ইস্ট ইন্ডিজের স্বাধীনতার পর ১৯৪০ থেকে ১৯৫০ সালের মধ্যে আমস্টারডামে আসেন ও বসতি স্থাপন করেন। ১৯৬০ নাগাদ তুরস্ক, মরোক্কো, ইতালি এবং স্পেন থেকে অতিথি কর্মী আমস্টারডামে চলে আসেন। ১৯৭৫ সালে সুরিনামের স্বাধীনতার পর, সুরিনামী জনসংখ্যার একটি বড় ঢেউ আমস্টারডামে বসতি স্থাপন করে, বেশিরভাগই বিজলেমার এলাকায়। অন্যান্য অভিবাসীদের মধ্যে রয়েছে, ইউরোপের অন্যান্য অংশ, আমেরিকা, এশিয়া ও আফ্রিকা থেকে আগত শরণার্থী এবং অবৈধ অভিবাসী । ১৯৭০ এবং ১৯৮০-এর দশকে, বহু 'পুরাতন' আমস্টারডামাররা ডাচ সরকারের তৃতীয় পরিকল্পনাগত বিল দ্বারা অনুপ্রাণিত 'আলমেই এবং পুরেররেণ্ড মত' নতুন 'শহরগুলিতে স্থানান্তরিত হয়। এই বিলটি সাবারবানাইজেশনকে ত্বরান্বিত করে এবং তথাকথিত "গ্রিকেকেনেন" (আক্ষরিকভাবে 'বিকাশের ভরকেন্দ্র') এ নতুন উন্নয়নের আয়োজন করে । তরুণ পেশাজীবি এবং শিল্পীরা এই আমস্টারডামারদের দ্বারা পরিত্যক্ত পিজপ এবং জর্ডান এলাকার আশেপাশের বসবাস করতে শুরু করেন। অ-পশ্চিমা অভিবাসীরা আমস্টারডাম-ওয়েস্ট এবং বিজ্লারারের সামাজিক হাউজিং প্রকল্পগুলিতে বেশিরভাগ বসতি স্থাপন করে। আজ অ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষ আমস্টারডামের জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং শহরের ৫০% শিশু-কিশোর-কিশোরী অ-ইউরোপীয়[২৮][২৯][৩০]
নৃতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগ গুলি পাশাপাশি পরিষ্কারভাবে দৃশ্যমান, নেদারল্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস দ্বারা অ-পশ্চিমাংশ লোকেরা পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচিত হয়, যাদের বাসস্থান মূলত নিইউ-ওয়েস্ট এর আশেপাশে জাইবুরগ, বিজ্লার এবং আমস্টারডাম-নূরর্ডের নির্দিষ্ট এলাকায়[৩১][৩২]।২০০০ সালে, খ্রিস্টানরা (জনসংখ্যার ১৭% ) শহরটির বৃহত্তম ধর্মসম্প্রদায় ছিল এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মসম্প্রদায় ছিল ইসলাম (১৪%), যাদের অধিকাংশ অনুসারী ছিল সুন্নি[৩৩][৩৪]

১৫৭৮ সালে, পূর্বতন রোমান ক্যাথলিক শহর অ্যামস্টারডাম স্প্যানিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে অংশ নেন। ডাচ কর্তৃত্ব গ্রহণের পর, সকল গীর্জা প্রোটেস্ট্যান্ট উপাসনায় রূপান্তরিত হয়। ক্যালভিনিস্ট প্রভাবশালী ধর্ম হয়ে ওঠে, এবং যদিও ক্যাথলিকবাদ নিষিদ্ধ ছিল না এবং যাজকদের সেবা করার অনুমতি দেওয়া হতো, ক্যাথলিক চার্চের হায়ারারিকে ক্যাথলিক শ্রেণিবিন্যাস নিষিদ্ধ ছিল। এটি 'স্কুইলকার্কন' প্রতিষ্ঠার দিকে পরিচালিত করে, অপ্রত্যাশিত গীর্জা, উজ্জ্বলভাবে সাধারণ খালের পাশের ঘরের ফ্রন্টগুলির পিছনে। একটি উদাহরণ বর্তমান বিতর্ক কেন্দ্র দ্য রোড হওড। বেশিরভাগ বিদেশী অভিবাসীরা সপ্তদশ শতাব্দীতে আমস্টারডামে আসেন, বিশেষ করে ফ্রান্স থেকে হিগুয়েনোট এবং দক্ষিণ নেদারল্যান্ডস থেকে প্রটেস্ট্যান্ট এবং স্পেন ও পর্তুগাল থেকে সিফারদী ইহুদী, সেফার্ডিক ইহুদি অভিবাসীরা আমস্টারডামে বসতি স্থাপনা করেন । এর ফলে অনেক নন-ডাচভাষী ধর্মীয় গীর্জা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৬০৩ সালে, ইহুদি ধর্মীয় সেবার প্রথম নোটিস পাওয়া যায়। ১৬৩৯ খ্রিষ্টাব্দে, প্রথম সিনাগগটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ইহুদীরা শহরটিকে পশ্চিমের জেরুজালেম বলে অভিহিত করত, হয়ত তাদের পুরানো স্মৃতির সাথে বর্তমান শহরের মেলবন্ধন ঘটাতে।

Religions in Amsterdam (2013)[৩৫]
  1. Irreligion (৬৩.১%)
  2. Roman Catholic (১১.১%)
  3. Protestant Church in the Netherlands (৫.৬%)
  4. Other Christian denominations (৬.১%)
  5. Islam (১১.৩%)
  6. Hinduism (১.২%)
  7. Buddhism (০.৯%)
  8. Judaism (০.৭%)
Image
সেন্ট্রাম বারোতে ওয়েস্টারকারক, আমস্টারডামের বিখ্যাত পরিচিত গীর্জাগুলির মধ্যে একটি

তারা শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলে, অন্যান্য খ্রিস্টীয় ধর্মাবলম্বীরা রূপান্তরিত ক্যাথলিক চ্যাপেলগুলিতে নিজেদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি পরিচালনা শুরু করে। যুক্তরাজ্যের বাইরের সবচেয়ে পুরনো ইংরেজি ভাষা চার্চ মণ্ডলী বেগিজেনহফ এ পাওয়া যায়। চার্চ অফ স্কটল্যান্ড এখনও নিযমিত পরিষেবাগুলি ইংরেজিতে দেওয়া হয়। [৩৬]

অর্থনীতি

[সম্পাদনা]
Image
আমস্টারডাম স্টক এক্সচেঞ্জ, বিশ্বের প্রাচীনতম স্টক এক্সচেঞ্জ

হাউজিং

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Portfolios: Mayor & Alderpersons"। Gemeente Amsterdam। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
  2. "Kerncijfers wijken en buurten"CBS Statline (Dutch ভাষায়)। CBS। ২ জুলাই ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৪ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |trans_title= উপেক্ষা করা হয়েছে (|trans-title= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  3. Anita Bouman–Eijs; Thijmen van Bree; Wouter Jonkhoff; Olaf Koops; Walter Manshanden; Elmer Rietveld (১৭ ডিসেম্বর ২০১২)। De Top 20 van Europese grootstedelijke regio's 1995–2011; Randstad Holland in internationaal perspectief [Top 20 of European metropolitan regions 1995–2011; Randstad Holland compared internationally] (পিডিএফ) (কারিগরি প্রতিবেদন) (Dutch ভাষায়)। Delft: TNO। ৩ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০১৩{{প্রযুক্তিপ্রতিবেদন উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  4. "Postcodetool for 1012JS (Dam Square)"Actueel Hoogtebestand Nederland (Dutch ভাষায়)। Het Waterschapshuis। ২৬ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৪{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  5. Encyclopædia Britannica Eleventh Edition, Vol 1, pp. 896–898.
  6. Cambridge.org, Capitals of Capital -A History of International Financial Centres – 1780–2005, Youssef Cassis, আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫২১-৮৪৫৩৫-৯
  7. After Athens in 1888 and Florence in 1986, Amsterdam was in 1986 chosen as the European Capital of Culture, confirming its eminent position in Europe and the Netherlands. See EC.europa.eu for an overview of the European cities and capitals of culture over the years. ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৪ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে
  8. Forbes.com, Forbes Global 2000 Largest Companies – Dutch rankings.
  9. "The Next Global Tech Hotspot? Amsterdam Stakes Its Claim"
  10. "Best cities ranking and report" (পিডিএফ)। ৯ অক্টোবর ২০২২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০১৮
  11. "Best cities in the world (Mercer)"। City Mayors। ২৬ মে ২০১০। ১ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১০
  12. "2thinknow Innovation Cities Global 256 Index – worldwide innovation city rankings"। Innovation-cities.com। ৩০ জুলাই ২০০৯। ১১ সেপ্টেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১০
  13. "Port Statistics 2015" (পিডিএফ) (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Rotterdam Port Authority। মে ২০১৬। পৃ. ৬। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ {{সংবাদ বিজ্ঞপ্তি উদ্ধৃতি}}: অজানা প্যারামিটার |dead-url= উপেক্ষা করা হয়েছে (|url-status= প্রস্তাবিত) (সাহায্য)
  14. "Amsterdam verwelkomde in 2014 ruim 5 miljoen buitenlandse toeristen – Amsterdam – PAROOL"
  15. https://www.wantedineurope.com/news/amsterdam-worldc292s-most-multicultural-city.html
  16. "The toll privilege of 1275 in the Amsterdam City Archives"। Stadsarchief.amsterdam.nl। ৬ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১০
  17. "Amsterdam 200 jaar ouder dan aangenomen" (Dutch ভাষায়)। Nu.nl। ২২ অক্টোবর ২০০৮। ২৫ অক্টোবর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০০৮{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  18. "De geschiedenis van Amsterdam" (Dutch ভাষায়)। Municipality of Amsterdam। ১৮ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ মে ২০০৮{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  19. "Adventure"। ১৬ জুন ২০০৮। ৯ জুলাই ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুন ২০১৮
  20. "Extreme temperatures around the world"। Herrera, Maximiliano। সংগ্রহের তারিখ ২ মার্চ ২০১২
  21. "Stationsdata station Schiphol 1981–2010" (পিডিএফ)। Royal Netherlands Meteorological Institute। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৩
  22. "Klimaattabel Schiphol, langjarige gemiddelden, tijdvak 1981–2010" (পিডিএফ) (Dutch ভাষায়)। Royal Netherlands Meteorological Institute। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  23. "Klimaattabel Schiphol, langjarige extremen, tijdvak 1971–2000" (পিডিএফ) (Dutch ভাষায়)। Royal Netherlands Meteorological Institute। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)[অকার্যকর সংযোগ]
  24. "History of Amsterdam, The Early History"। Bureau Monumenten & Archeologie (Office of Monuments and Archeology)। ২ এপ্রিল ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০০৭
  25. Frijhoff ও Prak 2005, পৃ. 9।
  26. "Explosieve groei houdt aan: 871.000 Amsterdammers in 2020"ois.amsterdam.nl। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ মার্চ ২০১৬
  27. "CBS StatLine – Bevolking; leeftijd, herkomstgroepering, geslacht en regio, 1 januari"
  28. "Half of young big-city dwellers have non-western background"। Cbs.nl। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১০
  29. "Bevolking naar herkomstgroepering, 1 January 2001–2006" (Dutch ভাষায়)। Dienst Onderzoek en Statistiek (Research and Statistics Service)। ৭ আগস্ট ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ এপ্রিল ২০০৭{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  30. "Most foreign babies born in big cities"। Cbs.nl। ২৬ এপ্রিল ২০০৪। সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১০
  31. "Statistics on a map" (Dutch ভাষায়)।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  32. "Statistics by Neighborhood" (Dutch ভাষায়)।{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  33. "Religie Amsterdam" (পিডিএফ) (Dutch ভাষায়)। ২৮ মে ২০০৮ তারিখে মূল থেকে (PDF) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০০৮{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  34. "Bureau of Onderzoek en Statistiek: 'Geloven in Amsterdam'" (PDF)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ এপ্রিল ২০১২
  35. "Kerkelijkheid en kerkbezoek, 2010/2013"। Centraal Bureau voor de Statistiek।
  36. "English Reformed Church Amsterdam"। ২৪ জানুয়ারি ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মে ২০০৮